শুক্রবার, জুলাই ১২, ২০২৪
২৯শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তারেক-জোবায়দার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা : ফখরুল

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ‘সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে যে মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ারা জারি করা হয়েছে তার কোনো ভিত্তি নেই। আওয়ামী লীগ সরকার শুরু থেকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন্য এসব মামলা করেছে। উদ্দেশ্য একটাই- এসব মামলা করে তাদেরকে মূলত বাংলাদেশ থেকে দূরে সরিয়ে রাখা, রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখার একটা প্রচেষ্টা মাত্র।’

ফখরুল গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নিন্দা জানান। একইসঙ্গে অবিলম্বে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।

দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। গত সোমবার রাতে ভার্চ্যুয়ালি ওই বৈঠক হয়।

জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অজর্নের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. আসাদুজ্জামান আজ এ আদেশ দেন।

‘শুধু জিয়া পরিবারের বধূ হওয়ায় জোবায়দার বিরুদ্ধে মামলা ও পরোয়ানা’ মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে মিথ্যা মামলা দিয়ে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে গৃহে অন্তরীণ করে রাখা হয়েছে।

মিথ্যা মামলাগুলো দিয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বিদেশে থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে। একইসঙ্গে তার সহধর্মিণী যিনি একেবারেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত না, তিনি একজন পেশাজীবী মেধাবী চিকিৎসক। শুধুমাত্র জিয়া পরিবারের বধূ হওয়ার কারণে, রাজনৈতিক কারণে তার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।’

ডা. জোবায়দা রহমান প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘জিয়া পরিবার ও বিএনপিকে নিয়ে একটা আতঙ্কে ভুগছে আওয়ামী লীগ সরকার। পুরো বিষয়টা বিশ্লেষণ করলে দেখবেন যে, ১/১১ ঘটনা হয়েছে খালেদা জিয়া ও জিয়া পরিবারকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার জন্য। বলা হয়েছে যে, মাইনাস টু। কিন্তু ঘটনা ঘটানো হয়েছে একটা পরিবারের বিরুদ্ধে। একইভাবে গত ১৪ বছর নিরবচ্ছিন্নভাবে বিএনপিকে একেবারে নির্মূল করে দেওয়ার জন্য যত রকমের নিপীড়নমূলক-নিবর্তনমূলক আইন, গুম-হত্যা- খুন-মামলা দেওয়া হয়েছে- এটা হচ্ছে তারই একটা অংশ। তারেক রহমান ও ডা. জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে যে মামলা তার কোনো ভিত্তি নেই। বিরোধী দলকে দমন করার জন্য এবং দেশে একটা বিরাজনীতিকরণে একটা অবস্থা তৈরি করার জন্য এ মামলাকে তারা অস্ত্র হিসেবে নিয়েছে।’

বিএনপিকে নির্মূল করা যাবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই সরকারের টার্গেট বিএনপিকে নির্মূল করা। সে কারণে মিথ্যা মামলা দিচ্ছে, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করছে। কিন্তু করলে কী হবে? মানুষ তো বিএনপিকে চায়।

থেকে আরও পড়ুন

মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে দ্বাদশ জাতীয়...

কুড়িগ্রামে হারলেন হেভিওয়েট নেতারামোবাশ্বের নেছারী কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামে দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম সদর,...

কুড়িগ্রামে বিএনপি ৪ নেতা বহিষ্কার মোবাশ্বের নেছারী কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামে দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে...

 লেখক ঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম। তাং ঃ ১৬.০৫.২০২৪ চিতলমারী উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে প্রধান তিন জন...