শুক্রবার, এপ্রিল ১৯, ২০২৪
৬ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজনীতির লুকোচুরি খেলায় ঝরে পড়ে সময়ের সাহসী সন্তানেরা: আলী আজম

সময়ের সাহসী সন্তানেরা ঝরে পড়ে রাজনীতির লুকোচুরি খেলায় কিন্তু হারায়না তাদের কাজ তাদের নিঃশ্বেষে বিলিয়ে দেওয়া দিনগুলো । আওয়ামীলীগ এর সুদিনের বাতাসে কোথাও উচ্চারিত হতে দেখিনা আনসারী ভাই এবং তার সাথের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম মোস্তফা সুজন ভাইকে । থাকবেনই বা কেন উনারা ছিলেন তো সেকালের হারিকেন । তখন প্রয়োজন ছিল এখন বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত বাংলাদেশ। দলের প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে তাই হারিকেনের মত অযত্নে অবহেলায় পড়ে আছে দেশ অথবা বিদেশের আনাচে কানাচে !

সময় আর নদীর স্রোত কখনো ফিরে আসে না সত্যি কিন্তু সময়ের স্মৃতিগুলো বারবার ফিরে আসে । আমাদের মতো ভিকটিমদের মনে বার বার ফিরে আসবে তা আপনাদের প্রয়োজন যতই ফুরিয়ে যাক । যতই চিহ্ন না থাকুক সেই সব ত্যাগী নেতাদের কাজ ! তবুও আমরা লিখবো তাদের কথা যাতে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম একদিন ইতিহাস জানতে পারে ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতির বাকে বাকে স্রোত নাট্যগোষ্টী, কবিতা পরিষদ , ছাত্রকল্যান সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠন করার সুযোগটি পেয়েছিলাম । এলাকার সুযোগ্য মানুষগুলোর সুখে দুখে কাছাকাছি থাকতে পারার সৌভাগ্যটুকু পেয়েছিলাম । আজ সবকিছু থেকে অনেকদূরে থাকলেও আছি তাদের অন্তরে অন্তরে ।

থাক আমার কথা ,আজ লিখবো ঠিক করেছি আমার ক্যাম্পাস জীবনে দেখা আলোকিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রিয় নেতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নূর হোসেন বলাই । বলাই ভাই চাঁদপুরের গর্বিত সন্তান । অসম্ভব মেধাবী বলাই ভাই করোনার মহামারীতে আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন । আল্লাহ উনাকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেবেন নিশ্চিয় ।চাঁদপুরের সন্তান হিসেবে আমাকে , সুজিত নন্দী এবং মোস্তফা ( অধ্যাপক নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ) কে সুখে দুখে আগলে রাখতেন পরম মমতায় ।

বলাই ভাই ছিলেন সুদীর্ঘ দেহের অধিকারী । হাসিমুখে দলের জন্য কাজ করতেন । ক্যাম্পাসের প্রিয় মুখ ততকালীন ডাকসু ভিপি সুলতান মুনসুর ভাইয়ের অত্যন্ত স্নেহভাজন ছিলেন ।উনার অনেক স্বপ্ন ছিল চাঁদপুর জেলা শাখার ছাত্র কল্যান সমিতির সভাপতি হবার । সেই আশা অবশেষে পুরন হয়েছিল । সবার সম্মতিক্রমে উনি সভাপতি এবং আমাকে সাধারন সম্পাদক করে ঢাকাস্থ চাঁদপুর জেলা ছাত্র কল্যান সমিতি হলো । আমার কপাল খারাপ ছিল তাইতো কিছুদিন যেতে না যেতেই আমাকে দেশ ছাড়তে হলো প্রিয় ক্যাম্পাস ছাড়তে হলো । দুঃসময় একসময় হয়তোবা পার হয় কিন্তু আমার স্বর্নালী জীবনের সেই সংগীদের ভুলে যাব কেমন করে ?

অনেক বছর পর কথা হয়েছিল উনি ঢাকা আইনজীবি সমিতির নেতা হলেন ।সংসদ সদস্য নির্বাচনে মনোনয়ন বঞ্চিত। সামছুল ভূইয়া, জাকারিয়া চৌধুরী , সাংবাদিক শফিক ভাইয়ের এলাকা বলে দলেও তেমন গুরুত্ব ছিল না । আক্ষেপটি ছিল মৃত্যুর আগেও । ভাবিনি এভাবে আগে চলে যাবেন । নেতাদের বলাই ,কর্মীদের বলাই ভাইকে আমরা ফিরে পাবনা কোনদিন। শহীদ মিনারের প্রভাত ফেরিতে দেখবো না উনার হাস্যোজ্জ্বল মুখ এবং দলের জন্য দৌড়াদৌড়ি। ওপারে ভাল থাকবেন প্রিয় বলাই ভাই ।

থেকে আরও পড়ুন

এই চিঠিটা আমি লিখতে বসেছি আমার প্রিয় ইহুদি স্বজনদের উদ্দেশে। আমার স্ক্রিনে এই এখনো...

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) ও বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা আশরাফুল হোসেন...

একদিকে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট চরমে, অপরদিকে প্রকট আকার ধারণ করেছে অর্থনৈতিক সংকট। বাংলাদেশও এই...

একদিকে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট চরমে, অপরদিকে প্রকট আকার ধারণ করেছে অর্থনৈতিক সংকট। বাংলাদেশও এই...