রবিবার, এপ্রিল ১৪, ২০২৪
১লা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তিন বছরেও শেষ হয়নি বিদ্যালয় ভবনের নির্মাণ কাজ!

চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলার মঘাদিয়া ইউনিয়নের শফিউল্লাহ পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের নির্মাণকাজ দীর্ঘ তিন বছরেও শেষ করতে পারেনি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান সরকার স্টিল লিমিটেড।

২০১৯ সালে কাজ শুরু হয়েছিল। কার্যাদেশ পাওয়ার দুই বছরের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা। কিন্তু এখনো শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কত দিনে কাজ শেষ হবে তা জানে না কেউ।

ভবন না হওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করায় ক্যাম্পাসের বাইরে অস্থায়ীভাবে তৈরি ঘরে পাঠদান করতে হচ্ছে।

জানা গেছে, ২০১৯ সালের শেষের দিকে উপজেলার মঘাদিয়া ইউনিয়নের শফিউল্লাহ পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেল্টারের তিনতলা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সরকার স্টিল লিঃ। শুরুর দিকে কাজ দ্রুত চলছিল। পরে এসে কাজ ধীরগতিতে রূপ নেয়। ধীরগতির কাজের জন্য চলতি বছরেও কাজ শেষ করতে পারেনি তারা। বর্তমানে কিছুদিন কাজ করে আবার কাজ বন্ধ রাখে এভাবেই ধীর গতিতে চলছে বলে জানান স্থানীয়রা।

স্থানীয় শিক্ষার্থী অভিভাবক তৌহিদ জানান, কাজ শুরুর সময় দুই বছরের মধ্যে শেষ করার কথা বলে শুনেছি। সেই লক্ষ্যে বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের বাইরে একটি অস্থায়ী টিনের ঘর নির্মাণ করা হয়। কিন্তু ভবন নির্মাণ শেষ না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের সেই ঘরেই পাঠদান করতে হচ্ছে। ঘরটি খালের পাশে হওয়ায় বৃষ্টি হলে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে সমস্যা হয়েযায়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাকারা বেগম জানান, বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের বাইরে বাধ্য হয়েই শিশুদের পাঠদান করতে হচ্ছে। কষ্টের যেন শেষ নেই। আগামী বছরের জানুয়ারির ভেতর কাজ সম্পন্ন করে দিবে বলে আশ্বাস দিয়েছে, তবে কাজের যেগতি মনে হয়না পারবে। জানুয়ারির ভেতর না হলে শিক্ষার্থীরা আরো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

উপজেলা প্রকৌশল রনি সাহা জানান, এই প্রজেক্ট গুলো বিশ্ব ব্যাংকের আওতাধীন হওয়ায় আমরা তেমন কিছু করতে পারছি না। আমরা তাদের সাথে কথা বলবো।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সরকার স্টিল লিমিটেড এর স্বত্বাধিকারী হেলাল উদ্দিন বলেন, পুরো উপজেলায় ৬টি ভবনের কাজ করতেছি সবার থেকে কাজে এগিয়ে আছে শফিউল্লাহ পাড়া স্কুলটি। ভবনটির কাজ অনেকটা সম্পন্ন হয়েছে। মূলত করোনা এবং জিনিস পত্রের দাম বৃদ্ধি পাওয়াতে ভবনের কাজ সম্পন্ন করতে সমস্যা হচ্ছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আমরা দেড় কোটি টাকার কাজ করলে পায় এককোটি টাকা, সেক্ষেত্রে টাকা জোগাড় করতেও সমস্যা হয়। আশাকরি খুব অল্প সময়ে ভবনটির কাজ শেষ হয়ে যাবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফজলুল হক বলেন, বিষয়টি নিয়ে ইঞ্জিনিয়ারের সাথে কথা বলবো তারা যদি কাজে অপারগতা প্রকাশ করে তাহলে তাদের নোটিশ দিয়ে কাজ বাতিল করে দিবো।

থেকে আরও পড়ুন

টিকটক ভিডিও বানাতে গিয়ে নদীতে ডুবে কিশোরের মৃত্যুমোবাশ্বের নেছারী কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামে টিকটক ভিডিও বানাতে...

সদাকাতুল ফিতর এর মূল্য নির্ধারণ সর্বনিম্ন ১১৫ টাকা। চলতি রমজান মাসের  ফিতরার হার নির্ধারণ...

কুড়িগ্রামে বরাদ্দ না পেয়ে স্থানীয়রা সেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে নিজেরাই সড়ক নির্মাণ করছেন। কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বল্লভেরখাস...

কুড়িগ্রাম জেলার গাও-গ্রামের নারীদের হাতের তৈরি টুপি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বেশ সুনাম অর্জন করেছে।...